দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

র্যাপার-গায়ক বাদশাহ ও অভিনেত্রী ইশা রিখির বিচ্ছেদের খবর ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিয়ের ঘোষণা দেওয়ার মাত্র পাঁচ মাসের মধ্যেই তাদের বিচ্ছেদের খবর সামনে এসেছে। এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একে অপরকে অনুসরণ করা বন্ধ করেছেন তারা। বাদশাহকে নিয়ে করা আগের পোস্টগুলোও মুছে দিয়েছেন ইশা।
এর আগে জুলাইয়ে একটি পোস্টের মাধ্যমে সম্পর্কে সমস্যার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন ইশা। পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, ‘দীর্ঘদিন আমি নীরব ছিলাম, কারণ আমি ভয় পেয়েছিলাম। আমার স্বামীর যে প্রভাব, ক্ষমতা ও সম্পদ রয়েছে বলে আমি বিশ্বাস করতাম, তাতে আমি চাপে পড়ে গিয়েছিলাম। নিজেকে বোঝাতে থাকতাম, নীরব থাকাই সবচেয়ে নিরাপদ।’
ইশা আরও লিখেছিলেন, ‘নীরবতা কখনোই সম্মতি ছিল না। এটি ছিল টিকে থাকার চেষ্টা। আজ আমি ভয় নয়, সাহসকে বেছে নিচ্ছি। পুরো ঘটনা বলার জন্য হয়তো আমি এখনও প্রস্তুত নই, তবে সবকিছু ঠিক ছিল—এমন ভান করা থেকে এবার আমি সরে আসতে প্রস্তুত।’
তবে বর্তমানে সেই পোস্টটি ইশার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পেজে আর দেখা যাচ্ছে না। তার ওই বক্তব্যকে ঘিরেই সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়েছিল।
আরেকটি পোস্টে ইশা বাদশাহর সঙ্গে তাদের সম্পর্কের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও নিয়ে একটি সংকলন প্রকাশ করেছিলেন। সেখানে শুরুতে ছিল বাদশাহ ও ইশার হাসিখুশি একটি দৃশ্য, এরপর তাদের বিয়ের ছবি এবং একটি দলীয় ছবি। সংকলনের শেষ ছবিতে দেখা যায়, ইশা কাঁদছেন এবং বাদশাহ তাকে জড়িয়ে ধরে আছেন।
ওই পোস্টের সঙ্গে ইশা লিখেছিলেন, ‘প্রতিটি ঝড়ই একটি শিক্ষা। প্রতিটি প্রার্থনাই একটি আশা।’ সঙ্গে ছিল প্রার্থনারত হাত ও ভাঙা হৃদয়ের প্রতীক।
মাত্র পাঁচ মাস আগে ইশার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পেজে তাদের বিয়ের ঘোষণা এসেছিল। এরপর একে অপরকে অনুসরণ বন্ধ করা, বাদশাহকে নিয়ে করা পোস্ট মুছে ফেলা এবং ইশার আগের বক্তব্য—সব মিলিয়ে তাদের সম্পর্কের পরিণতি নিয়ে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে।
/অ